বাংলাদেশের সব জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক ট্রান্সফার পদ্ধতিতে jilivoe-এ লেনদেন করা যায়। কোনো লুকানো চার্জ নেই, প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ।
jilivoe-এ যেসব পদ্ধতিতে ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল করা যায়
সব পদ্ধতির ন্যূনতম ও সর্বোচ্চ পরিমাণ এক জায়গায়
মনে রাখবেন: উইথড্রয়াল করার আগে একবার ডিপোজিট করা বাধ্যতামূলক। প্রথমবার উইথড্রয়ালের সময় পরিচয় যাচাই লাগতে পারে।
বিকাশ / নগদ / রকেটে মাত্র কয়েকটি ধাপে
আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করুন। নতুন হলে আগে নিবন্ধন সম্পন্ন করুন।
ড্যাশবোর্ডের উপরে ওয়ালেট আইকনে ক্লিক করে "ডিপোজিট" বেছে নিন।
বিকাশ, নগদ বা রকেট – পছন্দের পদ্ধতি সিলেক্ট করুন এবং পরিমাণ লিখুন।
স্ক্রিনে দেখানো jilivoe-এর পেমেন্ট নম্বরে নির্দিষ্ট পরিমাণ পাঠান। ট্রানজেকশন আইডি সংরক্ষণ করুন।
ট্রানজেকশন আইডি দিয়ে ফর্ম সাবমিট করুন। সাধারণত ৫ সেকেন্ডের মধ্যে ব্যালেন্স যোগ হয়।
জেতা টাকা তুলে নিন মাত্র কয়েক ধাপে
লগইন করে ড্যাশবোর্ড থেকে "উইথড্রয়াল" অপশন বেছে নিন।
কত টাকা তুলবেন এবং কোন পদ্ধতিতে পাবেন তা নির্বাচন করুন।
যে বিকাশ/নগদ/রকেট নম্বরে পাঠাবেন তা দিন। নম্বরটি আপনার নামে নিবন্ধিত হওয়া জরুরি।
সাবমিটের পর jilivoe টিম যাচাই করে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটের মধ্যে পাঠিয়ে দেয়।
VIP বা উচ্চ স্তরের সদস্যরা অগ্রাধিকার উইথড্রয়াল সুবিধা পান যা সাধারণত ১০ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়।
অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে বড় সমস্যা কোনটা? বেশিরভাগ খেলোয়াড় বলবেন পেমেন্ট। ডিপোজিট করতে গিয়ে সময় নষ্ট, উইথড্রয়াল করতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা – এই সমস্যাগুলো jilivoe তার শুরু থেকেই সমাধান করতে চেয়েছে।
বাংলাদেশে বিকাশ আর নগদ এখন প্রায় সবার হাতে। গ্রামে-গঞ্জে, শহরে-বন্দরে সবাই এই দুটো অ্যাপ ব্যবহার করেন। jilivoe তাই এই দুটো পদ্ধতিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। একটা বিকাশ ট্রানজেকশন করতে যতটুকু সময় লাগে, তার চেয়ে বেশি সময় jilivoe-এ ডিপোজিট করতে লাগে না।
jilivoe-এর ৭০% এর বেশি লেনদেন বিকাশের মাধ্যমে হয়। এর পেছনে কারণ হলো বিকাশের ব্যাপক প্রসার এবং jilivoe-এর সাথে তার সংযোগ অত্যন্ত স্থিতিশীল। রাত ৩টায়ও বিকাশে ডিপোজিট করলে সঙ্গে সঙ্গে ওয়ালেটে জমা পড়ে। কোনো কাজের ঘণ্টা নেই, কোনো দিন ছুটি নেই।
অনেক খেলোয়াড় জানতে চান বিকাশে কি কোনো চার্জ লাগে। উত্তর হলো jilivoe-এর পক্ষ থেকে কোনো চার্জ নেওয়া হয় না। বিকাশের নিজস্ব Send Money চার্জ যদি প্রযোজ্য হয় তাহলে সেটা বিকাশ নেবে, jilivoe নয়।
নগদ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিকাশের একটা শক্ত প্রতিযোগী হয়ে উঠেছে। jilivoe-এ নগদেও একই সুবিধা পাওয়া যায়। রকেট একটু ভিন্ন শ্রেণির ব্যবহারকারীদের কাছে পরিচিত – যারা ডাচ-বাংলা ব্যাংক গ্রাহক তারা রকেটে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। jilivoe-এ রকেটে উইথড্রয়াল করলে সাধারণত ১৫ থেকে ৪৫ মিনিটের মধ্যে টাকা পাওয়া যায়।
যারা বড় অঙ্কে জিতেছেন বা বড় ডিপোজিট করতে চান, তাদের জন্য ব্যাংক ট্রান্সফার আদর্শ। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে দৈনিক সীমা থাকে, কিন্তু ব্যাংক ট্রান্সফারে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন করা যায়। jilivoe-এর ফিনান্স টিম ব্যাংক ট্রান্সফার রিকোয়েস্ট সর্বোচ্চ ৩ ঘণ্টার মধ্যে প্রসেস করে।
jilivoe-এ প্রতিটি লেনদেন SSL এনক্রিপশন দ্বারা সুরক্ষিত। আপনার পেমেন্ট তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না। উইথড্রয়ালের সময় যে নম্বর দেওয়া হয় সেটা অ্যাকাউন্টে নিবন্ধিত ফোন নম্বরের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়, যাতে কেউ অন্যের টাকা তুলে নিতে না পারে।
জনপ্রিয় গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রায়ই শোনা যায় উইথড্রয়াল আটকে রাখার কথা। jilivoe-এ এই ধরনের অভিযোগ নেই কারণ পরিষ্কার নিয়মকানুন আছে এবং সেগুলো মেনে চললে উইথড্রয়াল কখনো আটকায় না।
পেমেন্ট সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় jilivoe-এর সাপোর্ট টিম ২৪ ঘণ্টা ৭ দিন সাহায্য করতে প্রস্তুত। লাইভ চ্যাট, ইমেইল বা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা যায়।
খেলোয়াড়দের সাধারণ জিজ্ঞাসা